Advertisement

বায়োলজি রহস্য - ৩


এই পর্ব থেকে বায়োলজি বইয়ের অধ্যায় ভিত্তিক Word গুলোর Explanation করব, so, কথা না বাড়িয়ে চল Game শুরু করি। ( যখন একটা word এক্সপ্লেইন করব তখন অন্য জায়গার রিলেটেড word টা ও বলে দিব । এতে করে খুব দ্রত পড়া হয়ে যাবে)
** Human Physiology: Blood & Circulation ( মানব শারীরতত্ব : রক্ত ও সঞ্চালন ) **

** Suffix/prefix/ Root words :

1. Hemato/heamato/hemo/heamo- : blood, blood related- রক্ত
2. -sis/-isis : referring to a process -কোনো কিছুর প্রক্রিয়া
3. -genesis : gene + sis -- gene একটা Root word . এর মানে origin, birth বা উৎপত্তি , আর - sis মানে যেহেতু প্রক্রিয়া , তাই genesis মানে কোনো কিছু উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়া।
4. - poiesis : as same as genesis ; specially for blood related.
5. -oma : abnormal condition,tumor/growth, disease/cancer etc - অস্বাভাবিকতা
6.-phil : attractive to something - আসক্ত
7. - emia/aemia : blood or related to blood. specially রক্তের প্রাচুর্যতা বঝায়।
8. granule : small grain - grain মানে দানা, -ule suffix er মানে অনেক ক্ষুদ্র
9. Lymph ; লসিকা বা লসিকা রিলেটেড
10. thrombo- : related to clotting of blood - রক্ত তঞ্চনের সাথে জড়িত
11.phago- : to eat something, ভক্ষন করা।
12. Cardia- : heart & heart related
13. para- , peri- and for other suffixes and prefixes , see previous posts.
14. Myo- : Muscle & muscle related: পেশি
15. hyer - : high - উচ্চ
16. hypo - low - নিম্ন
17. Baro - related to pressure - চাপ সম্পর্কিত
18. pulmo- : related to lungs - ফুসফুস
19. coronary- : vessels that surround the heart ; হৃতপিন্ডের গাত্র সংলগ্ন ধমনিকা/শিরা (রক্তবাহিকা )
20. carotid - : vessels which supply blood to head and neck - যেসব রক্তবাহিকা ঘার এবং গলার দিকে রক্ত সরবরাহ করে।
21. renal - kideny related ; বৃক্ক
22. angio - : releted to vessel : পরিবহন নালী, এই অধ্যায়ের জন্য রক্ত বাহিকা
23. rythm- : bit বা ছন্দ
24. plast/plasty - to fabricate, formation, make change etc - পুননির্মান
25. - tomy : related to surgery or to cut something ; সার্জারি
26. athero-/ather- ; paste like substance such as cholesterol etc.
27. sclerosis - কোনোকিছু শক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া
****____________________________***

কি অবস্থা সবার! এখনও পোস্ট শেষ হয়নি। আরো আছে । চল এবার ক্লাস শুরু করি। পোস্ট পড়ার সময় কল্পনা করবা তুমি এখন ভাইয়ার লেকচার শুনতেছ। তাহলে দেখবা সিস্টেম টা কতটা ফলপ্রসু হয়।
এখন বই নিয়ে বসে পড় গাজী আজমল স্যার এর , পোস্ট পড়ার সাথে সাথে বই এর সাথে মিলিয়ে নিও।
________
ওকে লেকাচার শুরু করি তাহলে? আমি যাস্ট শব্দ গুলো ব্যাখ্যা করে যাব। থিওরি একটু আধটু বলব।( ইনফরমেশন টাইপ পড়া বইয়েই আছে)
প্রথমেই বলি রক্ত নিয়ে,
রক্ত কনিকা প্রকারঃ
১। Erythrocyte - লোহিত রক্তকনিকা
২। leucocyte - শ্বেত রক্ত কনিকা
৩। Thrombocyte - অনুচক্রিকা।
এবার আসি এদের ব্যাখ্যায় -- উপরের suffix prefix part এ দেয়া আছে erythro মানে লাল বা লোহিত , তাই eythrocyte মানে লোহিত রক্ত কনিকা যার বর্ন লাল। খেয়াল কর উপরে বলেছি - poiesis
মানে রক্ত কনিকার উৎপত্তি হওয়ার প্রক্রিয়া related, প্রক্রিয়া কেন হবে , কারন -sis suffix আছে তাই।
এখন যদি বলি, *এরিথ্রোপোয়েসিস কি? * এরিথ্রোপোয়েটিন কি? বুঝতেই পারতেছ একটা হচ্ছে লোহিত রক্তকনিকা উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়া , আরেকটা হচ্ছে একটা প্রোটিন যা RBC উতপন্নের সাথে রিলেটেড। প্রোটিন কেন হলো তোমরা বল, আমি আর বলছি না।
*Related word : মনে করো তো এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনি শব্দটি কোথায় পড়েছ এবং এর মানে কি হবে বল?
এবার বল, RBC লাল বর্নের হয় কেন? heamoglubin এর জন্য তাই না? হুম, উপরের Suffix prefix part এ দেখো hemo/heamo মানে blood related, আর Glubin হছে একটা প্রোটিন।
আচ্ছা ব্লাড নিয়ে স্টাডি করাকে কি বলে জান ? হেমাটোলজি বা Hematology,, তা না হলে আর কি হবে , যাই হোক জেনে রাখো RBC এর আরেক নান হেমাটিড*। RBC এর সৃষ্টি হয় Hemocytoblast * নামক ভ্রুনীয় কোষ থেকে,
অনুমান করো তো Hematopoiesis কি হতে পারে? কমেন্ট এ জানাও,

অনেক বললাম RBC নিয়ে , এবার আসি শ্বেত রক্তকনিকা তে বা leucocyte,, Leuco মানে বর্নহীন ,তাই এদের নাম শ্বেত কনিকা। আসলে এরা কিন্ত সাদা না , বর্নহীন। এদেরকে white blood cell বা WBC বলা হয়। তাছাড়া এদের একটা স্পেশাল
আছে , তা হলো ভ্রাম্যমান প্রতিরিক্ষা একক বা Mobile defensive unit.* related word: Leucoplast - নিজে ব্যাখ্যা কর।

suffix prefix part এ দেখো -aemia/emia মানে রক্তের প্রাচুর্যতা , তাহলে anaemia মানে কি? রক্তের প্রাচুর্যতার উলটা, তাই না ভাইয়া? অর্থাৎ রক্তাল্পতা, যা হয় RBC এর পরিমান ৫০ লাখের চেয়ে ২৫% কম হলে।
আবার এর পরিমান যদি ৬৫ লাখের চেয়ে বেশি হলে তাকে Polycythemia বলে , কেন বলে clear তো? এবার তাহলে ভাব Leucaemia কি হতে পারে? হুম অবশ্যই WBC এর আধিক্য তবে এক্ষেত্রে RBC
ধ্বংশপ্রাপ্ত হয়। Related words : Leucopenia, leucocytosis. এগুলো নিজে ব্যাখ্যা করে কমেন্ট এ জানাও।

আগের একটা পোস্ট এ granulocyte আর agranulocyte নিয়ে বলেছি, তাও আবার বলতেছি এক্সট্রা একটু।
সবাই জানো যাদের নামের শেষে cyte বা সাইট আছে সেগুলো অদানাদার বা agranulocyte. এরা হচ্ছে মনোসাইট ও লিম্ফোসাইট।

আচ্ছা বলতো লসিকার প্রধান কোষীয় উপাদান কি? দেখো lymph মানে লসিকা, আর lymphocyte এ ও Lymph আছে বুঝেছ তো? তাহলে লসিকার প্রধান উপাদান হচ্ছে লিম্ফোসাইট। মনে থাকবে না? মুখস্থ করা লাগবে?
কোথা থেকে কোথায় চলে যাচ্ছি, আসলে সব একটার সাথে আরেকটা রিলেটেড তো তাই। বলছিলাম granulocyte , agranulocyte এর কথা,
Granulocyte কনিকা ৩ প্রকার;
neutrophil, eosinophil, basophil ,
খেয়াল কর suffix prefix part e বলেছি, -phil মানে আকর্ষী বা আসক্ত। Neutrophil = Neutral + Phil , অর্থাৎ নিরেপেক্ষ আসক্ত বা আসক্তহীন। তাই এগুলো লিশম্যান রঞ্জকে কোনো বর্ন ধারন করে না।
এবার দেখো, Eosinophil= eosin + phil, অর্থাৎ ইওসিন আসক্ত, ইওসিন রঞ্জকে এরা লাল বর্ন ধারন করে। [ সাধারনত E- এর শব্দগুলো লাল বর্নের হয়, such as Erythrocyte, আরো কিছু আছে]
Basophil= Base + phil, আমরা জানি base মানে ক্ষার , আর phil মানে আসক্ত, তাই এগুলো ক্ষারাসক্ত হয়ে নীল বর্ন ধারন করে,
ভাই আমি টেকনিক , ছন্দ একটু কম follow করি, তোমার লাগলে দিতে পারি।
Eosinophil মনে রাখার জন্য - *ইলা , ই তে ইওসিনোফিল, আর লা তে লাল , basophil মনে রাখার জন্য -*বেনী, অথবা B for basophil , b for blue ,,,
আমার কাছে এগুলো হুদ্দাই, তার চেয়ে ভালো তোমরা এসিড ,ক্ষার আর লিটমাস এর কাহিনী ত জানোই, acid এর ক্ষেত্রে লাল, base এর ক্ষেত্রে নীল হয়, সহজ হিসাব।

এবার আসি Thrombocyte এ ;
suffix prefix part এ দেখো, thrombo মানে রক্ত তঞ্চন সম্পর্কিত, আচ্ছা কোন রক্তকনিকা রক্ত তঞ্চন ঘটায়? অনুচক্রিকা , তাই না? রক্ত তঞ্চন ঘটায় বলেই এর আম thrombocyte , এর আরেক নাম
হচ্ছে platelet.

অনুচক্রিকা Phagocytosis প্রক্রিয়ায় কার্বন কণা,
ইমিউন কমপ্লেক্স ও ভাইরাস কে ভক্ষন করে। *এটা মনে রাখার একটা Mnemonic আছে, তা হচ্ছে *ভাইক* , 
ভা তে ভাইরাস, ই তে ইমিউন কমপ্লেক্স আর ক তে কার্বন কণা। এবার আসি phagocytosis শব্দে, উপরে দেখো phago- root word এর মানে ভক্ষন করা, আর cyte মানে কোষ, আর -sis মানে কোনো প্রক্রিয়া।
অর্থাৎ কোষ ভক্ষন প্রক্রিয়া।
এখন আসো পরের টপিক,

** রক্ত জমাট বাধা বা রক্ত তঞ্চন বা Blood Clotting / Coagulation**

মনে আছে রক্ত তঞ্চন রিলেটেড Root word কোনটা? হুম Thrombo- word টি। so, বলতে পারি রক্ত তঞ্চন করার কাজটি করে অনুচক্রিকা বা Thrombocyte.
রক্ত জমাট বাধার জন্য ১৩ টি clotting factor রয়েছে। এর মধ্যে চারটি* গুরুত্বপূর্ণ factor হচ্ছেঃ
Fibrinogn, prothrombin, Thromboplastin , Ca আয়ন। মনে রাখার ছন্দ হচ্ছে *ফুল পরে টুপ করে*
কোনটা দিয়ে কি হবে নিজেরা মিলিয়ে নাও।
তারপর এই অংশের সিরাম থেকে ও প্রশ্ন আসতে পারে, মনে রাখবে সিরামে Fibrinogen, prothrombin, proaccelarine/ ল্যাবাইল ফ্যাক্টর, antihemophilic factor (factor 1,2,5,8) থাকে না।
মনে রাখতে পারো এইভাবে , ** ফাহিম প্রচুর প্র্যাক্টিস এ অংশ নেয় ১২৫৮ সালে*। কোনটা দিয়ে কি হবে নিজেরা মিলাও। আচ্ছা বলত Antihemophilic এর মানে কি? কমেন্ট এ জানাও।
এই অংশ থেকে আরো মনে রাখবে রক্ত ক্ষরনকাল ও জমাট বাধার কাল, দুটো গুলিয়ে ফেলো না কিন্তু।
একটু চিন্তা করো, আগে রক্তক্ষরন হয় নাকি আগে রক্তজমাট বাধে? অবশ্যই আগে রক্তক্ষরন হয় তারপর রক্ত জমাট বাধে। so, প্রথমে রক্তক্ষরন হবে ১-৪ মিনিট , তারপর রক্ত জমাট বাধবে ৪-৫ মিনিট। এইটা আমার নিজেরর ই গুলিয়ে যেত।

** লসিকা বা লিম্ফ - Lymph **

ইমাজিন করো ত লসিকার প্রধান কোষীয় উপাদান কি হতে পারে? হুম , লিম্ফোসাইট -Lymphocyte, কারন ২ টার নামের মধ্যেই Lymph আছে। মনে রাখবে লসিকা ঈষৎ হলুদ*, ক্ষারীয় টিস্যুরস।
এর কাজ পুষ্টিদ্রব্য কোষ এ সরবরাহ করা এবং প্রতিরক্ষা কাজে অংশ নেয়া। যেহেতু প্রতিরক্ষা কাজে অংশ নেয় তাই Antibody উৎপন্ন করে। মনে রাখবে লসিকায় ১ ঘন মিমি তে লিম্ফোসাইট এর সংখ্যা ৫০০-৭৫,০০০(পচাত্তর হাজার, not সাত হাজার পাচশ)। আরো মনে রাখবে-
লসিকায় পানির পরিমাণ ৯৪%। ক্ষুধার্ত অবস্থায় লসিকায় Fat এর পরিমান কম থাকে*।দুধের মতো সাদা লসিকা কে কাইল ( Chyle ) বলে। মনে করো ত কাইলোমাইক্রন শব্দটা কোথায় পড়েছো? এর মানে কি কমেন্ট এ জানাও।
এবার আসি লসিকা তন্ত্রে। *লসিকা , লসিকা নালী এবং লসিকা গ্রন্থি নিয়ে লসিকা তন্ত্র গঠিত। অন্ত্রের প্রাচীরের লসিকা নালিগুলোকে ল্যাক্টিয়েল (lacteal) বলে। কারন কি বলতে পারো? কারন Lact- root word এর মানে দুধ সম্পর্কিত, lactogen ত চিনি সবাই,
কেন এর নাম Lactogen বুঝেছো ত? আর অন্ত্রের প্রাচীরের লসিকানালি দিয়ে কাইলোমাইক্রন পরিবহন হয়, যা দুধের মতো সাদা। তাই একে ল্যাকটিয়েল বলে।
*মনে রেখো মানবদেহে লসিকার পরিমান ১০-১২ লিটার (আলীম স্যার বলেছেন ), যদিও আমার কাছে হাস্যকর
লাগত ব্যাপার টা, যেখানে রক্তের পরিমান ই ৫-৬ লি। আরো মনে রাখবে লসিকা গ্রন্থি ৪০০-৭০০*। নতুন বই এর ১১৭ পেইজ এর ছক টা ভালো করে দেখে নিও।

______* হৃৎপিণ্ড অংশ *______

Heart at a Glance :
-মানবদেহের পাম্পিং মেশিন।
- বক্ষগহ্বরে মিডিয়াস্টিনামে অবস্থিত।
- এপেক্স বা শীর্ষ অঞ্চল ৫ম পাজরের ফাকে অবস্থান করে।
- সুস্থ মানুষের জীবদ্দশায় ২৬০০ মিলিয়ন বার স্পন্দিত হয়ে প্রতি বেন্ট্রিকল থেকে ১৫৫ মিলিয়ন লিটার রক্ত বের করে দেয়।
- *** হৃৎপিণ্ডের ওজন প্রায় ৩০০ গ্রাম, মহিলাদের ক্ষেত্রে ২০০ গ্রাম, যা পুরুষের চাইতে ১০০ গ্রাম কম।
( ইমাজিন বৃক্কের ওজন ১৫০-১৭০ গ্রাম পুরুষদেহে,যা হৃৎপিণ্ডের ওজনের প্রায় অর্ধেক )
- হৃৎপিণ্ড দেখতে লালচে রঙ এর এবং ত্রিকোনাকার।
- হৃৎপিণ্ডের দৈর্ঘ ১২ সেমি, আর প্রস্থ ৯ সেমি ( ৩ এর গুনিতক)( চিন্তা করো বৃক্কের দৈর্ঘ ১০-১২ সেমি, প্রস্থ ৫-৬ সেমি, অর্থাৎ বৃক্ক ও হৃৎপিণ্ডের মতো বড় )
ওকে, আবার আলোচনায় যাই, আমরা জানি Peri- মানে surface, বা বাইরের অঞ্চল, যা দিয়ে কোন কিছুর আবরনও বুঝায়। আর Cardia- root word এর মানে হৃৎপিণ্ড বা হৃৎপিণ্ড রিলেটেড।
এই কারনেই হৃৎপিণ্ডের আবরনকে পেরিকার্ডিয়াম/Pericardiam বলে। এটি দ্বিস্তরী আবরন। মনে রাখবা সাধারনত সব আবরন ই দ্বিস্তরী হয়*। ২ টি স্তরের মধ্যে বাহিরের টিকে প্যারাইটাল বলে, আর ভিতরের টিকে
ভিসেরাল বলে। প্যারাইটাল হলো কেন বলতে পারবে? suffix , prefix part এ খেয়াল করো, Para- মানে কি। তারপর নিজেই বুঝে নাও। আচ্ছা ভাইয়া, বলতে পারবা পাকস্থলীর কোন কোষ থেকে HCl ক্ষরিত হয়?
হুম, প্যারাইটাল বা অক্সিনিটিক কোষ থেকে। এবার তুমিই বলো একে প্যারাইটাল কোষ কেন বলে।
যাইহোক, বলতেছিলাম হৃৎপিণ্ডের আবরনের কথা , ২ স্তরের মাঝে Pericardial Fluid থাকে, যেহেতু হৃৎপিণ্ড তাই পেরিকার্ডিয়াল হইছে। সোরাস fluid কোথায় পড়েছ মনে করো।

** এবার আসি প্রাচীর(Wall) এ; মনে রাখবে প্রাচীর আর আবরন কিন্তু এক না। হৃতপ্রাচীর গঠিত হয় হৃৎপেশি দিয়ে বা Cardiac Muscle যাকে বলে মায়োকার্ডিয়াম বা myocardiam.(ব্যাখ্যার জন্য suffix, prefix দেখো)
হৃৎপ্রাচীরের পেশিগুলো ৩ টি স্তরে সাজানো থাকে।
এগুলো হচ্ছে Epicardiam, Myocardiam, Endocardiam.
Suffix,prefix part এ দেখো epi- মানে বাহিরের অঞ্চল। তাই এপিকার্ডিয়াম মানে হৃৎপ্রাচীরের সবচেয়ে বাহিরের অঞ্চল। এখানে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে যা হৃৎপেশিকে শক্তি যোগায়।
তারপর myo- মানে পেশি, অর্থাৎ এই স্তরটি খাটি(দৃঢ়) পেশি দিয়ে গঠিত। তাই এর কাজ হৃৎপিন্ডের সংকোচন প্রসারন করা।
আর Endo- মানে অন্তস্থ অঞ্চল। তাই এন্ডোকার্ডিয়াম মানে হৃৎপ্রাচীরের সবচেয়ে ভিতরের স্তর। এবার একটু হৃৎপিন্ডের ছবির দিকে তাকাও বা কল্পনা কর। আচ্ছা বলত হৃৎকপাটিকা কোথায় থাকে ? হৃৎপিন্ডের বাইরে নাকি ভিতরে?
অবশ্যই ভিতরে। so, হৃৎকপাটিকা গঠন বা ঢেকে রাখার কাজ হচ্ছে Endocardiam এর, যেহেতু Endo মানে ভিতরে। 



এখন তাহলে আলোচনা শুরু করি। বিগত একটা পর্বে বাইকাসপিড ও ট্রাইকাসপিড নিয়ে বলেছিলাম। এখন আর বলছিনা। তবে সেমিলুনার আর ইউস্টেশিয়ান কপাটিকা নিয়ে বলি।
প্রথমে আসি সেমিলুনার কপাটিকায়। Semiluanr মানে হচ্ছে অর্ধচন্দ্র। কারন semi মানে অর্ধেক আর Lunar মানে চাঁদ । তাই এই আকৃতির কপাটিকা গুলো কে Semilunar valve বলে।
semilunar valve ২ প্রকার। পালমোনারি সেমিলুনার ও অ্যাওর্টিক সেমিলুনার । ডান ভেন্ট্রিকল ও ফুসফুস এর মধ্যে পালমোনারি সেমিলুনার এবং অ্যাওর্টা ও বাম ভেন্ট্রিকল এর মধ্যে অন্যটা।
তারপর আসি ইউস্টেশিয়ান valve এ। এটা থাকে ডান অলিন্দ ও ইনফিরিয়র ভেনাক্যাভার সংযোগস্থলে। মনে রাখবা কীভাবে? খেয়াল করো ই তে ইউস্টেশিয়ান আবার ই তে ইনফিরিয়র । মনে থাকবে তো?
আরেকটা কপাটিকা আছে তা হচ্ছে থিবেশিয়ান, যা ডান অলিন্দ ও করোনারি সাইনাস এর সংযোগস্থলে থাকে। So, মনে রাখবা ইউস্টেশিয়ান কপাটিকা কোথায় থাকে। তাহলেই হবে। কপাটিকার অংশ শেষ।

** কার্ডিয়াক চক্র বা Cardiac Cycle ( ০. ৮ সেকেন্ড) **

কার্ডিয়াক চক্রের চারটি অংশ বলা যায়। অলিন্দের ডায়াস্টোল, সিস্টোল... then নিলয়ের সিস্টোল, ডায়াস্টোল। হৃৎপিন্ডের প্রকোষ্ঠ সমূহের সংকোচন কে Systole বা সিস্টোল আর প্রসারন কে Diastole বা ডায়াস্টোল
বলে। প্রতি মিনিটে গড়ে ৭৫ বার হার্টবিট হয়।
**এই অংশের গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বিভিন্ন অংশের সময়কাল। এটা মনে রাখার ছন্দ হচ্ছেঃ " অডাসি= ৮৭১ ; নিডাসি= ৮৫৩ " । মানে অলিন্দের ডায়াস্টোল এর সময়কাল ০.৭ সে. আর সিস্টোল এর সময়কাল ০.১ সে. ।
আর টোটাল সময় লাগে ০.৮ সেকেন্ড। নিডাসির মানে নিজেরাই বুঝে নাও।
** কার্ডিয়াক চক্রের মেকানিজম টা সহজে বুঝার জন্য হৃৎপিণ্ড কে ওষধ খাওয়ার ড্রপার সাথে তুলনা করো। ড্রপার এর গোড়ার দিকে একটা ভ্যাকুয়াম টাইপের প্রকোষ্ঠ থাকে সবাই জানি। স্বাভাবিক অবস্থায় এটি প্রসারিত
বা শীতল অবস্থায় খালি থাকে। অর্থাৎ কোনো চাপ থাকে না। তারপর আমরা ওষধ নেয়ার জন্য বোতলে প্রবেশ করিয়ে চাপ দেই। এতে করে এটি সংকোচিত হয় এবং এতে তখন চাপ থাকে। তারপর যখন চাপ ছেড়ে দেই
তখন ড্রপার এ ওষধ প্রবেশ করে। এই অবস্থায় ড্রপারটি আবার শীতল(প্রসারিত বা ডায়াস্টোল) হয় তবে সিরাপ পূর্ন অবস্থায়। তারপর আবার আমরা খাওয়ার জন্য হা করে যখন চাপ দেই তখন ড্রপার এর সংকোচন হয়
এবং সিরাপ বের হয়ে যায়। হৃৎপিণ্ড ও একই সিস্টেমে কাজ করে। কিছু না বুঝলে বই পড়।
** এবার আসি লাব (lub) ডাব ( dub) শব্দে। এদের উৎপত্তি ভেন্ট্রিকল এ। মনে রাখবে এইভাবে; "ড" তে ভেন্ট্রিকলের ডায়াস্টোল আর "ড" তে ডাব। অতএব কার্ডিয়াক চক্র শেষ।

** হার্টবিটের মায়োজেনিক (myogenic) নিয়ন্ত্রন**

- এই অংশের জন্য important হচ্ছে SAN,AVN, Bundle of His, Purkinje fibre এর অবস্থান ও কাজ। এদের অবস্থান মনে রাখার জন্য ১২২ পেইজের হৃৎপিণ্ডের ছবির দিকে তাকাও। আমাদের ব্রেইন ছবি
থেকে ভালো ইনফরমেশন Recall করতে পারে।
তারপর ও মনে না রাখতে না পারলে এই থেরাপি দেখো; SAN= sino-Atrial node : শব্দ গুলোর ব্যাখ্যা করি চলো, sino আসছে সাইনাস /sinus বা গহ্বর , আর Atrial মানে অলিন্দের , so, sino-atrial
মানে অলিন্দের গহ্বর ,আর Node মানে সংযোগস্থল। ( Lymph Node কোথায় পড়েছ মনে কর) । অতএব কি দাড়াল? অলিন্দের গহ্বরের সংযোগস্থলে। দেখোতো, ঠিক আছে কিনা? অথবা আরেক ভাবে মনে রাখতে
পারো। SAN এর মধ্যে S, A আছে । s for superior venacava & A for right atrium. আর নোড মানে ত সংযোগস্থল। বুঝেছ তো? আর AVN = atrio-ventricular Node. নাম থেকেই বুঝা যায়
অলিন্দ নিলয়ের সংযোগস্থলে এর অবস্থান।
- Remember, অ্যাকশন পটেনশিয়াল(action potential) এর সৃষ্টি হয় SAN থেকে, এবং এটা থেকেই হার্টবিট এর শুরু হয়।
- ** SAN কে প্রাকৃতিক পেসমেকার বলা হয়। কেন বলা হয় মেডিকেলের জন্য জানা লাগবে না ।
-আরো মনে রাখবা SAN থেকে AVN এ উদ্দিপনার ঢেউ পরিবহনে ০.১৫ সেকেন্ড দেরি হয়।
Okay, এই অংশ ও শেষ।
-- -- --

** রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে ব্যারোরিসেপ্টরের ভূমিকা **

___BLOOD PRESSURE____
- Baro- মানেই চাপ বা চাপ সংক্রান্ত। যেমনঃ ব্যারোমিটার, একইভাবে ব্যারোরিসেপ্টর
- রক্তচাপ বলতে রক্ত রক্তনালীর গাত্রে যে চাপ প্রয়োগ করে , ওইটাই।
- ভেন্ট্রিকলের সংকোচন অবস্থার চাপকে সিস্টোলিক চাপ বলে। সিস্টোলিক চাপ বেশি হয়। কারন কোনো কিছু সংকোচন করতে হলে চাপ প্রয়োগ করতে হয় বেশি। (স্বাভাবিক সিস্টোলিক চাপ ১১০-১২০ mmHg)
- ভেন্ট্রিকলের প্রসারন অবস্থার চাপকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলে। এক্ষেত্রে চাপ কম হয়।( স্বাভাবিক ডায়াস্টোলিক চাপ ৭০-৮০ mmHg, *note: difference is 10)
- চাপ এর আরেকটা নাম হচ্ছে টেনশন/tension , যা আমরা ফিজিক্স এও পড়েছি , ডেইলি লাইফ এও ইউজ করি। (hypertension & hypotension ;for explanation see suffix prefix part)
- স্বাভাবিক চাপ এর চেয়ে চাপ বেশি হলে তাকে হাইপারটেনশন/hypertension বলে। আর কম হলে Hypotension বলে।
- রক্তচাপ মাপার যন্ত্রকে স্ফিগমোম্যানোমিটার বলে।
___ Baroreceptor_____
আচ্ছা বলত রিসেপ্টর মানে কি হতে পারে? হুম, রিসেপ্টর আর রিসিভার অলমুস্ট সেইম। মানে যারা কোনো কিছু গ্রহন করে।
অতএব baroreceptor মানেই চাপ সংক্রান্ত উদ্দিপনা নিয়ে যারা কাজ করে তারা। এই প্রক্রিয়াকে Baroreflex বলে। যাইহোক Baroreceptor ২ প্রকার;
- উচ্চচাপ ব্যারোরিসেপ্টর এবং নিম্নচাপ ব্যারোরিসেপ্টর

-উচ্চচাপ ব্যারোরিসেপ্টর মনে রাখতে পারো এই ভাবে; "অ্যাকা" মানে অ্যাওর্টিক আর্চ ও অন্তস্থ ক্যারোটিড সাইনাস।* (suffix , prefix part এ দেখো বলেছি Carotid মানে vessels which supply blood to
head and neck - যেসব রক্তবাহিকা ঘার এবং গলার দিকে রক্ত সরবরাহ করে।
- নিম্নচাপ ব্যারোরিসেপ্টর এর অপর নাম "আয়তন রিসেপ্টর" । আয়তন রিসেপ্টর এর প্রভাব রয়েছে *রক্ত সংবহন ও রেচন উভয় তন্ত্রে। এজন্যই এই অংশে রেনিন , ভ্যাসোপ্রোসিন শব্দগুলো থাকে।
- নিম্নচাপ ব্যারোরিসেপ্টর এর অবস্থান মনে রাখতে পারো এভাবে ; " ডানে সাপ "। ডান তে ডান অ্যাট্রিয়াম ও ভেন্ট্রিকলের প্রাচীর , "স" তে বড় বড় সিস্টেমিক শিরা, "প" তে পালমোনারি রক্তবাহিকা।
ওকে এই অংশ শেষ, যা বাকি থাকে ওইগুলো বই থেকে পড়ে নিও।
________

** মানবদেহে রক্ত সংবহন**__________

-মানবদেহের রক্তসংবহন বদ্ধ ধরনের, সোজা হিসাব, কারন রক্তনালীর মাধ্যমে পরিবহন হয়।
- মানবদেহে চার* প্রকার রক্তসংবহন হয়।
১।সিস্টেমিক ২।পালমোনারি ৩। পোর্টাল ৪। করোনারি

** সিস্টেমিক সংবহনঃ বাম ভেন্ট্রিকল > অ্যাওর্টা >টিস্যু ও অংগ > মহাশিরা > ডান অ্যাট্রিয়াম> ডান ভেন্ট্রিকল। সিস্টেমিক সংবহনে সময় লাগে ২৫-৩০ সেকেন্ড।
** পালমোনারি সংবহনঃ Pulmo মানেই ফুসফুস। যে সংবহন ফুসফুস এর সাথে রিলেটেড তাই পালমোনারি সংবহন। * ডান ভেন্ট্রিকল > পালমোনারি ধমনি> ফুসফুস > পালমোনারি শিরা > বাম অ্যাট্রিয়াম > বাম
ভেন্ট্রিকল। **Remember , Pulmonary is always inverse function.
** পোর্টাল সংবহনঃ portal circulation; port মানে কি বলতে পারে? ইমাজিন কর নারানগঞ্জ পোর্ট, চট্টগ্রাম পোর্ট, USB port. শব্দ গুলোর সাথে আমারা পরিচিত। পোর্ট মানে ও সংযোগস্থল , তবে পরিবহনের সংযোগস্থল। নদীপথ থেকে স্থল পথের সংযোগ, এক ডিভাইসের সাথে আরেক ডিভাইস এর সংযোগ ( আদান প্রদানের উদ্দেশ্যে )। একইভাবে আমাদের দেহের কিছু অংগে হৃৎপিণ্ড সরাসরি রক্তসংবহন করতে পারে না ,
তার জন্য Port/বন্দর এর দরকার হয়।
- মেরুদন্ডী প্রানীতে যকৃত/হেপাটিক পোর্টাল ও বৃক্কীয়/রেনাল পোর্টাল সংবহন থাকে সাধারনত । ** কিন্তু মানুষ সহ কিছু স্তন্যপায়ীতে "রেনাল পোর্টাল সংবহন" থাকে না।
- হেপাটিক পোর্টালঃ পোষ্টিক অংগসমূহ> হেপাটিক পোর্টাল শিরা> যকৃত>হেপাটিক শিরা> ইনফিরিওর ভেনাক্যাভা>হার্ট।
** করোনারি/Coronary সংবহনঃ coronary মানে vessels that surround the heart ; হৃতপিন্ডের গাত্র সংলগ্ন ধমনিকা/শিরা (রক্তবাহিকা )।অর্থাৎ হৃৎপেশি তে রক্ত সঞ্চালনকারি সংবহন কে করোনারি
সংবহন বলে।
ওফ! এত লেখা। চলো পরের টপিক এ যাই।

_______ *হৃদরোগ*________

১। Angina/ অ্যানজাইনা ২। হার্ট অ্যাটাক/Myocardial Infarctin/ MI ৩। হার্ট ফেইলিউর

প্রথমে বলি অ্যানজাইনা/ Angina নিয়ে। Angina বা Angina pectoris হৃদপেশির অস্বস্তিকর অবস্থা , যার জন্য বুকে ব্যথা হয় এবং অস্বস্তি লাগে। Pectoris নাম থকেই বুঝা যায় এতে বুকে ব্যথা হয়। ( Pectoral গার্ডেল কোথায় আছে মনে করো) । মূলত হৃদপেশি O2 সমৃদ্ধ পর্যাপ্ত রক্ত না পেলে বুকের মধ্যে যে ব্যাথা অনুভূত হয় তাই Angina. *এটিকে হার্ট অ্যাটাক এর পূর্বাবস্থা মনে করা হয়। [ Angina আর Heart failure
কে গুলিয়ে ফেলো না কিন্তু, সাবধান!]
২। হার্ট অ্যাটাক/ Myocardial Infarctin : আগের একটা পোস্ট এও এর ব্যাখ্যা দিয়েছিলাম। Myocardial মানে হৃদপেশি, আর infarction মানে অপর্যাপ্ত রক্ত প্রবাহের কারনে টিস্যুর মৃত্যু। ( আচ্ছা বলতে পারবা কোষের এই ধরনের মৃত্যুকে কি বলে? Apoptosis নাকি Necrosis? আমিই বলে দিচ্ছি। এটি হচ্ছে Necrosis, কারন কি জানো? কারন Necrosis হচ্ছে পুষ্টির অভাবে কোষের মৃত্যু। N for Nutrition , N for Necrosis. হৃৎপেশি তে যদি রক্ত সরবরাহ না হয়, তাহলে পুষ্টি উপাদান ও পৌছাবে না। এজন্যই এটি Necrosis. Be creative bro, বিজ্ঞান পড়তে হলে একটু গভীর চিন্তাশীল হলে অনেক মজা পাবা )
হার্ট অ্যাটাক টপিকের মধ্যে দেখো করোনারি অ্যাথেরোমা/ coronary atheroma একটা শব্দ আছে। suffix , prefix part এ দেখো ather- মানে paste like substance such as cholesterol etc.
অথবা fatty deposit, মানে চর্বি জাতীয় পদার্থের জমাট হওয়া। আর -Oma মানে টিউমার, বা অস্বাভাবিক অবস্থা/বৃদ্ধি পাওয়া। so, Coronary atheroma মানে coronary রক্ত নালির ভিতরে চর্বি জাতীয়
পদার্থের জমাট হওয়া । এতে করে রক্ত সরবরাহের ব্যঘাত ঘটে। ফলে হৃৎপেশিতে পুষ্টি পৌছায় না এবং পেশির মৃত্যু হয়। আর এটাই হার্ট এট্যাক।
.
আমি দুঃখিত ! পোস্ট টা অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে, তারপর ও এই পর্বের মধ্যেই অধ্যায় টা শেষ করে দিব।
.
** হার্ট ফেইলিউরের মধ্যে মনে রাখবা হৃৎপিন্ড দেহের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত রক্তের যোগান না দিতে পারলে তখন হার্ট ফেইলিউর হয়।
*** হৃদরোগের কারন গুলো বই থেকে পড়ে নিও। but remember, এগুলো গুলিয়ে ফেলো না। কোনটায় অক্সিজেনের কথা বলছে আর কোনটায় বলে নাই, খেয়াল রেখো।

* পেসমেকার (আর্টিফিসিয়াল) *

- william Chardack & Wilson Greatbatch,1969 সালে পেসমেকার আবিষ্কার করেন।
- গঠনঃ একটি লিথিয়াম ব্যাটারি (not লিথিয়াম আয়ন), জেনারেটর ও সেন্সরযুক্ত তার ,[ Note: sensor গুলো কে ইলেকট্রোড বলে আর তার গুলোকে (১-৩ টি) লিড(lead) বলে।]
-হৃৎপিন্ডের বিভিন্ন প্রকোষ্ঠে প্রবেশ অনুযায়ী পেসমেকার ৩* প্রকার।
- এক-প্রকোষ্ঠঃ ডান অলিন্দে একটি তার প্রবেশ করবে।(as like SAN)
- দুই-প্রকোষ্ঠঃ ডান অলিন্দে একটি ও নিলয়ে একটি।
- তিন-প্রকোষ্ঠঃ ডান অলিন্দ, নিলয় এবং বাম ভেন্ট্রিকল** ।[note: Left atriam = Cross; এখানে কোনো তার প্রবেশ করবে না ]
-** পেস্মেকারের ব্যাটারির মেয়াদ ৫-১০ বছরের মত।

________*ওপেন হার্ট সার্জারি________

-৩ প্রকার। **** মনে রেখো অফ পাম্প এর অপন নাম বিটিং হার্ট** আরো মনে রেখো cardio-pulmonary machine শব্দটা ।বাকিগুলো বই থেকে এক্টু দেখে নিও।

_____*** করোনারি বাইপাস সার্জারি( coronary bypass surgery) ***___

নাম দেখে অনুমান করো এই সার্জারি কোথায় হবে। করোনারি রক্ত নালিতে ব্লক হলে রক্ত প্রবাহের জন্য একটা বাইপাস রাস্তা করা হয়, এটাই করোনারি বাইপাস সার্জারি।
- বই এ দেখো ২ টা শব্দ আছে । Arteriosclerosis & atheromatus plaques.
arteri মানে ধমনি জানি আমরা। আর sclerite মানে চুন জাতীয় শক্ত পদার্থ, এখান থেকেই sclerosis আসছে, অর্থাৎ artteriosclerosis মানে ধমনীর মধ্যে চুন জাতীয় পদার্থের শক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া।
এখন যদি বলি এই চুন জাতীয় পদার্থ কে কি বলে? হুম এগুলোই Atheromatus plaques. উপরে atheroma এর ব্যখ্যা দিয়েছি।
- তারপর মনে রেখো ধমনির লুমেন ৯০-৯৯% সংকীর্ণ হলে তখন অস্থির অ্যানজাইনা হয়।
- করোনারি বাইপাস সার্জারি করতে ৩-৫ ঘন্টা সময় লাগে।
_________________________________

** Angioplasty**

- angio মানে রক্তবাহিকা আর plasty মানে পুননির্মান।
- এঞ্জিওপ্লাস্টি ৪** ধরনের। মনে রাখতে পারো এভাবে ; " Laser A B C"
laser angioplasty, atherectomy , ballon angioplasty, coronary stenting.
-*** বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত coronary stenting.( এতে ব্যবহৃত জালিকাটিকে স্টেন্ট বলে )
-coronary stenting এ সম্য লাগে ৩০ মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টা।
- সুস্থ হতে ৪ সপ্তাহ সময় লাগে।*
খেয়াল করো, atherectomy একটা শব্দ আছে, ather- মানে কি উপরে বলেছি। tomy মানে কোনো কিছু কাটা। অর্থাৎ ধমনি তে জমা হওয়া শক্ত পদার্থ কে ড্রিল করে বা অন্যভাবে কেটে/চুর্ণ করাকে Atherectomy বলে।

___________ The End_____________
Finally Chapter four has been completed.
And thank you all.

Sayed Faysel Ahammad Rajo

Post a Comment

3 Comments

Unknown said…
মানুষের দেহে রেনাল পোর্টাল শিরা অনুপস্থিত কেন??



sanju said…
its really helpful.
go ahed😊
Unknown said…
গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়াটি এভাবে ব্যাখ্যা করে দিয়ে ভাইয়া।❤️❤️❤️
Close Menu